সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
Home » দাওয়াত দিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
অপরাধ এক নজরে টপ ফোর ময়মনসিংহ সব খবর

দাওয়াত দিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান আছে বলে পোষাককর্মীকে মোবাইলে ডেকে এনে গণধর্ষণ করেছে দুই যুবক। এ ঘটনায় ওই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভিক্টিম ওই পোষাককর্মী জেলার তারাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা।

সে গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নুরুল ইসলাম (৩৫), সে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের পালাহার গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। অপরজন একই গ্রামের নুরুউদ্দিন। শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের পালাহার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের পালাহার গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে রোববার দুপুরে ভিক্টিম পোষাককর্মী বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নান্দাইল থানার ওসি মনসুর আহমেদ বলেন, নুরুল ইসলামের সাথে ওই পোষাককর্মীর মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। শনিবার ওই সম্পর্কের জেরে নুরুল ইসলাম বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান আছে বলে গাজীপুর থেকে পোষাককর্মীকে নিয়ে আসে। পরে ওই দিন নুরুল ইসলামের স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে নিজ ঘরে পোষাককর্মীকে ধর্ষণ করে। পরে নুরুল ইসলামের স্ত্রী বাড়িতে ফিরে আসলে রাতের বেলায় তার বন্ধু নুরুউদ্দিনের বাড়িতে নিয়ে যায়। আবারো রাতের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে রাতে নুরুর ইসলাম ও নুরুউদ্দিন ওই পোষাককর্মীকে ধর্ষণ করে।

এক পর্যায়ে পোষাককর্মী কৌশলে রাতেই পালিয়ে কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়কে উঠেলে এক সিএনজি চালকের সহায়তায় নান্দাইল থানায় আসে। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে রবিবার ভোরে মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের পালাহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, ওই পোষাককর্মীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। তবে, আজ সরকারী বন্ধ থাকায় তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিএনএ/হামিমুর রহমান