শীত পিঠার চাহিদা বৃদ্ধি
Home » শীত পিঠার চাহিদা বৃদ্ধি
রাজধানী সব খবর

শীত পিঠার চাহিদা বৃদ্ধি

শীতের আগমনে প্রকৃতিতে নামছে হিমি হিম ঠান্ডা। ভোরের কাঁচা রোদে শিশুর বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমন। ধীরে ধীরে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে শহর-নগর। সেই সাথে কদর বেড়েছে শীতের পিঠার। তাই শহরের রাস্তার মোড়ে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান গড়ে উঠেছে। ভোর ও সন্ধ্যায় পিঠার স্বাদ নিতে ভিড় করছেন পিঠা প্রেমীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শীতের আগমনের সাথে সাথে রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় দোকান নিয়ে বসেছেন মৌসুমি পিঠা বিক্রেতারা। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, খিলক্ষেত, রামপুরা, বাড্ডা, হাতিরঝিল, গুলশান মিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় দেখে গেছে একই চিত্র। সেখানে তারা বিভিন্ন বাহারি পিঠার পসরা সাজিয়েছেন। তবে মানুষের কাছে চিতই ও ভাপা পিঠার চাহিদা বেশি।

জানা গেছে, মৌসুমি ব্যবসা হিসেবে অল্প পুঁজি ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভের আশায় নারী পুরুষ ব্যবসায় নেমেছেন। কেউ বা চাকরির পাশাপাশি সকাল বিকাল পিঠা বিক্রি করছেন। অনেকে রাস্কার মোড়ে না বসে বিশেষ ধরনের ভ্রাম্যমাণ ভ্যানগাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন। এসব পিঠার দোকানে রয়েছে হরেক রকমের মুখোরোচক ভর্তাও।

পিঠা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাড়তি আয়ের আশায় তারা পিঠা বিক্রি করছেন। শীতকালে পিঠা চাহিদা থাকে বেশি। সকাল ও সন্ধ্যায় পিঠার চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুন।

গুলশান মোড়ে পিঠা বিক্রি করছেন আব্দুল গফুর মিয়া। তিনি জানান, সকালে আর সন্ধ্যায় দোকানে পিঠা খাওয়ার জন্য সিরিয়াল লেগে যায়। আমার দোকানে সবচেয়ে বেশি চাহিদা চিতই পিঠার। তেলের পিঠাও পাঠি সাপটা রাখছি।

পিঠার দোকানে খেতে আসা রকিবুল ইসলাম জানান, শীতের সময় রাস্তার মোড়ে যেসকল পিঠা পাওয়া যায় অন্য সময় এগুলো পাওয়া যায়নি। শীতকালে পিঠার দোকানে রাখা ভর্তাগুলো বেশ মুখরোচক। সরিষা ভর্তা ও শুটকি ভর্তার জিভে জল আসার মত স্বাদের কারণে প্রতিদিন পিঠা খেতে আসি।

বিএনএ/এমএইচ