ভারতে জানুয়ারিতে ভ্যাকসিন বিতরণের টার্গেট, বহু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা
Home » ভারতে জানুয়ারিতে ভ্যাকসিন বিতরণের টার্গেট, বহু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা!
করোনাভাইরাস টপ ফোর সব খবর স্বাস্থ্য

ভারতে জানুয়ারিতে ভ্যাকসিন বিতরণের টার্গেট, বহু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা!

ভারতের সিরাম ইন্সস্টিটিউট ঘোষণা করেছে, জানুয়ারিতেই দেশটিতে শুরু হবে ভ্যাকসিন দেয়া। এই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ডোজ ৯০ শতাংশ ভারতীয় পাবেন ২৫০ টাকায়। খবর ভারতীয় পত্রিকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আগামী বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২৫-৩০ কোটি ভারতীয়কে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হবে।

খবরে বলা হয়, জানুয়ারির মধ্যে ১০ কোটি ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে যাবে, কারণ ইতোমধ্যেই চার কোটি ভ্যাকসিন উৎপাদন শেষ হয়েছে।সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি এই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ডোজ ৯০ শতাংশ ভারতীয় পাবেন ২৫০ টাকায়। বাকিদের খোলা বাজার থেকে কিনতে হবে হাজার টাকায়। অগাস্ট মাসেই সিরাম ইন্সটিটিউট অক্সফোর্ড ও নোভাভ্যাক্স ভ্যাকসিনের ১০ কোটি ডোজ উৎপাদনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।সিরাম কর্তা আশাবাদী, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির শুরুতে এই ভ্যাকসিনের কিছুটা অংশ ভারতে চলে আসতে পারে।

অন্যদিকে এখনও হাতে আসেনি কোভিড ভ্যাকসিন। তবে খুব শিগগিরই মিলবে সবুজ সংকেত, শুরু হবে ভ্যাকসিনেকর গণবন্টন। এই স্বপ্নের মাঝেই ভয় দেখাচ্ছে কেন্দ্রের নতুন ঘোষণা। কেন্দ্রের বক্তব্য কোভিড ভ্যাকসিনের কিছু মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে শুধু ভ্যাকসিন দিলেই কাজ শেষ হচ্ছে না, রোগীকে পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিটি পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।

দিল্লি থেকে রাজ্যগুলিকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বহু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে রোগীর উপসর্গ বুঝে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। বলা হয়েছে, টিকাকরণের সময়ে প্রতিটি হাসপাতালে নিউরোলজিস্ট. কার্ডিওলজিস্ট. শ্বাসপ্রশ্বাস বিশেষজ্ঞ রাখা জরুরি।কেন্দ্র চায় ৩০০টি মেডিক্যাল কলেজ এবং অন্যান্য সরকারি হাসপাতালগুলি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি থাকুক।

তবে চিঠিতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার  কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে তা বলা হয় নি।