মেজর(অব.) সিনহা হত্যা
Home » মেজর(অব.) সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষী আবারও রিমাণ্ডে
আইন-আদালত টপ ফোর বৃহত্তর চট্টগ্রাম ব্রেকিং নিউজ সব খবর

মেজর(অব.) সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষী আবারও রিমাণ্ডে

Spread the love

বিএনএ, কক্সবাজার: সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে দ্বিতীয় দফায় চার দিন করে রিমাণ্ডে নিয়েছে র‌্যাব।তারা হলেন- টেকনাফ মারিশবুনিয়া এলাকার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মো. আয়াছ।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মোকাম্মেল হোসেন। খবর বিএনএ’র।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার মেজরকে মামলার তাদরকে জেলা কারাগার থেকে বের করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাবের এএসপি খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল। এরপর ৩ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে র‌্যাব-১৫ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ২৫ আগস্ট তাদেরকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ৭ দিন করে রিমাণ্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন বিচারক তামান্না ফারাহ্। এর আগে গত ২০ আগস্ট প্রথম দফায় তাদের ৭ দিনের রিমাণ্ড শেষ হয়েছিল।

মেজর সিনহা হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশের করা মামলার ৩ সাক্ষীকে ১১ আগস্ট মারিশবুনিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

৩১ জুলাই মেজর (অব.) সিনহা নিহত হওয়ার পর সিনহা ও তার সঙ্গে থাকা সিফাতের বিরুদ্ধে মাদক ও পুলিশকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করে পুলিশ। উপপরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিতের দায়ের করা ওই মামলায় এই তিন জনকে সাক্ষী দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩১শে জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়। একটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়। এই মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলার আসামি করা হয় সিফাতকে। আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় আসামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।

৫ আগস্ট নিহত টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলি, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন। পরের দিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ৭ পুলিশ সদস্য।

এ মামলার দুই আসামি এসআই টুটুল ও মো. মোস্তফা আদালতে হাজির হননি। পুলিশের দাবি, এই নামে জেলা পুলিশে কেউ নেই। তবে  তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

উল্লেখ্য, সিনহা হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত সাত পুলিশ সদস্য, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য ও টেকনাফ পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষীসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এরমধ্যে শুক্রবার(২৮ আগস্ট) মামলার তিন আসামি প্রদীপ দাস, লেয়াকত আলি ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতের তৃতীয় দফায় ৩ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। এ নিয়ে তাদের মোট ১৪ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হলো।

সূত্র: বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সি(বিএনএ)/বিএনএনিউজ

Source: Bangladesh News Agency(Bna)/Bnanews