কফি
Home » ওজন নিয়ন্ত্রণে গ্রিন কফি
এক নজরে লাইফ স্টাইল

ওজন নিয়ন্ত্রণে গ্রিন কফি

Spread the love

লাইফস্টাইল ডেস্ক: কফি উপভোগ করতে হলে সাধারণত আমরা দুধ চিনি দিয়ে জমিয়ে পান করি। স্বাস্থ্য সচেতনরা চিনি ছাড়া কালো কফি খেতেই পছন্দ করেন। গ্রিন কফি সম্পর্কে কথা বললেই অনেকে একটু অবাক হন।
গ্রিন কফির গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। এটি ওজন কমানোর পাশাপশি দ্রুত খাদ্য বিপাকে সাহায্য করে, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ত্বক ও চুলের জন্যও বেশ উপকারী গ্রিন কফি।

অনেকে আবার ওয়ার্কআউটের আগে ব্ল্যাক কফি শট দিয়ে ফিটনেস রুটিন শুরু করেন। আর এখন ফিটনেস ড্রিঙ্ক হিসেবে ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে গ্রিন কফি। ওজন কমানোর প্রক্রিয়ায় গ্রিন কফির উপকারিতা সম্পর্কে এখনই জেনে নিন।

গবেষণায় দেখা গেছে ক্যাফেইন মেটাবলিজম রেট ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে। ক্লোরোজেনিক অ্যাসিডের সাহায্যে ক্যাফেইন পৌষ্টিক নালীতে কার্বোহাইড্রেট শোষণ কমাতে পারে। রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়িয়ে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

ওজন কমাতে গ্রিন কফি উপকারী না ব্রাউন কফি এই সংক্রান্ত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টানা ১২ সপ্তাহ ধরে উপযুক্ত ডায়েট ও এক্সারসাইজের পাশাপাশি ব্রাউন কফি খেলে যে পরিমাণ ফ্যাট লস সম্ভব, ডায়েট ও এক্সারসাইজের পাশাপাশি গ্রিন কফি তার চেয়ে বেশি ফ্যাট ঝরাতে কার্যকর। যদিও, দুটিরই পুষ্টিগুণ সমান।

১. বিপাকের উন্নতি ঘটায়

গ্রিন কফিতে ক্লোরোগেনিক এসিড রয়েছে। খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে। লিভার থেকে রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি পান করলে শরীর থেকে চর্বি ক্ষয়ে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে।

২. অতিরিক্ত মেদ ঝরতে সাহায্য করে

সবুজ কফির আরেকটা গুণ হল শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। সবুজ কফির বীজে উচ্চমাত্রায় কেলপ রয়েছে। শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণের পর এই কফি বিপাকে সাহায্য করে, অতিরিক্ত চর্বি ঝরাসহ বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় করে।

৩. ক্ষুধা দমন করে

ওজন কমানোর মোক্ষম দাওয়াই হল ক্ষুধা দূর করা। সবুজ চা ক্ষুধা দমন করতে সাহায্য করে। সবুজ চা পান করলে খাদ্য হজমে নিয়ন্ত্রণ করে। আপনি সবুজ কফি পান করে শরীর থেকে অতিরিক্ত ওজন ঝরাতে পারেন।

৪. বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়

শরীর থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে বিষাক্ত উপাদান দূর করে। শরীরকে বাড়তি মেদ ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল থেকে মুক্ত রাখে।

৫. শরীরে এনার্জি বাড়ায়

সবুজ কফিতে ক্যাফেইন থাকে, যা শরীরে এনার্জি বাড়ায়। সারাদিন আপনি কর্মোদ্দম থাকতে পারেন।

বিএনএ/এমএইচ