জেসিন্ডা
Home » নিউজিল্যান্ডে ভোট: জয়ের পথে জেসিন্ডা
টপ ফোর বিশ্ব

নিউজিল্যান্ডে ভোট: জয়ের পথে জেসিন্ডা

Spread the love

করোনা মহামারির প্রভাবে নির্ধারিত সময়ের চার সপ্তাহ পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এই ভোট চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। যদিও এরই মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ আগেভাগেই তথা গত ৩ অক্টোবর ভোট প্রয়োগ করেছেন।

নির্বাচনে এবারও জয়ের ব্যাপারে প্রত্যয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের লেবার পার্টি। নির্বাচনের আগে মতামত জরিপে দেখা গেছে, ফের জিততে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা। সাফল্যের সঙ্গে করোনা মহামারি মোকাবিলা করতে পারায় তার জনপ্রিয়তা বেশ বেড়েছে। লেবার পার্টির মধ্যপন্থি বাম নেতা জেসিন্ডা দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, এই নির্বাচনে জিততে না পারলে দলের প্রধানের পদ থেকেও সরে দাঁড়াবেন তিনি।

এক জরিপে দেখা গেছে, অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে লেবার পার্টি। ৩১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে আছে রক্ষণশীল ন্যাশনাল পার্টি।

জরিপে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনে জেসিন্ডার দলের জোট গড়তে হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জুডিথ কলিন্স বলেন, আমি মনে করি না আমি হারব। কারণ এমন দলের ওপর আস্থা রাখা কঠিন, যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না। তারা নতুন নতুন বহু অঙ্গীকার করেছে অথচ আগের প্রতিশ্রুতি পালনেই ব্যর্থ।

এক জরিপে দেখা গেছে, অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে লেবার পার্টি। ৩১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে রক্ষণশীল ন্যাশনাল পার্টি।

অবশ্য জরিপের ফলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ রক্ষণশীল ন্যাশনাল পার্টি প্রধান জুডিথ কলিন্স। তার দাবি, আগে বহুবারই ভুল প্রমাণিত হয়েছে জরিপ। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জুডিথ মনে করিয়ে দেন বর্তমান সরকারের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা আর আবাসন খাতে ব্যর্থতার কথা।

জুডিথ কলিন্স বলেন, ‘আমি মনে করি না আমি হারব। কারণ এমন দলের ওপর আস্থা রাখা কঠিন, যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না। তারা নতুন নতুন বহু অঙ্গীকার করেছে অথচ আগের প্রতিশ্রুতি পালনেই ব্যর্থ।’

এবারের নির্বাচনে রেকর্ড ১৭ লাখের বেশি আগাম ভোট পড়েছে। ৫৩তম পার্লামেন্টে জেসিন্ডা আরডার্নের দল লেবার পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেন কি না সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সে ক্ষেত্রে ১২০ আসনের পার্লামেন্টে ৬১ আসনে জিততে হবে ক্ষমতাসীনদের।

বিএনএ/এমএইচ